রাজধানী ঢাকায় দু’দিনের ব্যবধানে তিনটি বস্তিতে আগুন লেগে কয়েক শত ঘর ও দোকান-পাট পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (২৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেচারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “গত দুই দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকার তিনটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৩ নভেম্বর রাতে মহাখালীর সাততলা বস্তিতে, ২৪ নভেম্বর বিকালে মোহাম্মদপুর বাবর রোডের বিহারিপট্টি এবং ২৪ নভেম্বর রাত ২ টার দিকে মিরপুরের কালশী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউনিয়াবাদের বস্তিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কয়েক শত ঘর ও দোকান-পাট পুড়ে গেছে। বস্তিতে সাধারণত নিম্ন আয়ের মানুষজন বসবাস করেন। ঘর ও দোকান-পাট পুড়ে যাওয়ার সাথে সাথে তাদের বেঁচে থাকার স্বপ্নও পুড়ে গেছে। আগুন দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় বস্তিবাসী তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও আসবাবপত্র কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। এতে অনেকে বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।”
অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, প্রতি বছর বার বার বিভিন্ন বস্তিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডের পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু সে সকল তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জনসম্মুখে খুব কমই প্রকাশ করা হয় এবং কোনো কোনো তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আদৌ প্রকাশ করা হয় না। ফলে এ সকল অগ্নিসংযোগের ঘটনা- দুর্ঘটনা নাকি পূর্ব পরিকল্পিত সে রহস্য থেকেই যায়।”
জামায়াতের সেক্রেচারি ও সাবেক এমপি বলেন, “বস্তিতে অগ্নিকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুনর্বাসন করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমবি





