বিএনপির ভাইসচেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন,বিদ্যুত উৎপাদনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। যার কারণে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুত পাচ্ছেনা।

তিনি বলেন, দশ টাকায় চাল খাওয়াবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন কেজি ৫০ টাকা দরে মানুষকে চাল কিনতে হচ্ছে। সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, দুঃশাসন,শোষন আর লুটপাট ছাড়া এ সরকার জাতিকে আর কিছু উপহার দিতে পারেনি। এ সরকারকে বিদায় দিতে না পারলে মানুষের কষ্ঠ আরো বাড়বে।

আজ মঙ্গলববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর -রুনি মিলনায়তনে নার্সেস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি জাহানারা সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এজেএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব,বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী প্রমূখ।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, এসরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকারের লোকদের বক্তব্যেও সেটা ফুটে উঠেছে। তারা এখন বলছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যেতে না পারলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তার মানে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তিনি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান।

ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন,খালেদা জিয়ার অফিসে পুলিশী হানা রাজনৈতিক শিষ্টতা বর্জিত কাজ। এ সরকারকে বিদায় দেয়া না গেলে দেশে শান্তি ফিরে আসবেনা।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যতই যড়যন্ত্র চক্রান্ত হোক না কেন, ইতিহাস থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না। তিনি মানুষের হৃদয়ে রয়েছেন। তিনি কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, সূর্য ওঠবে সূর্য ডুববে,লাল সবুজের পতাকা থাকবে, ততদিন শহীদ জিয়ার নামও থাকবে।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সৎ শাসক। তিনি এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন,গণততন্ত্র দিয়েছেন,জাতীয়তার পরিচয় দিয়েছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছেন, আইনের শাসন দিয়েছেন।

যেখানে শেখ মুজিব ব্যর্থ হয়েছেন, সেখানে জিয়া সফল হয়েছিলেন সে জন্য জিয়ার প্রতি আওয়ামীলীগের এতো আক্রোশ।

এমবি