সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত কয়েকজনকে ছাত্রশিবিরের কর্মী উল্লেখ করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন ও সেক্রেটারি জেনারেল সিরাজুল ইসলাম এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে শিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, দায়িত্বহীন নির্লজ্জ সাংবাদিকতার একটি ঘৃন্য নজির স্থাপন করেছে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে তড়িঘড়ি করে কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই মুখস্তবুলি আওড়িয়ে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে কয়েকজনকে ছাত্রশিবিরের কর্মী উল্লেখ করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অথচ এদের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। বরং খুনিরা চিহ্নিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ কর্মী।
অন্যদিকে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত-শিবির ও ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের লোকজন মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কতটুকু ভারসাম্যহীন হলে এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন অপপ্রচার করা যায় তা আমাদের বোধগম্য নয়। সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শুধুমাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার হীন মানসেই এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে জনগণ বোকা নয়। বিশেষ ওই টেলিভিশন চ্যানেলের সেই প্রতিবেদনটি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলকে ধিক্কার জানাচ্ছে জনগণ। আসলে এটা কোন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নয় বরং একটি ভারসাম্যহীন, অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিবেদন এবং হলুদ সাংবাদিকতার একটি নমুনা মাত্র।
ছাত্রশিবিরের শীর্ষ এই দুই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের কোন অপকর্ম দেশবাসীর কাছে প্রকাশ পায় তখনই এ ধরণের গণমাধ্যমগুলো সে অপকর্মকে আড়াল করতে উঠে পড়ে লেগে যায়। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ধারাবাহিক বর্বরতার জন্য এসব গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণও অনেকাংশে দায়ী। এমন দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড কোনভাবেই সুস্থ সাংবাদিকতার পরিচায়ক নয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমবি





