বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপি সভা-সমাবেশের নামে হত্যা, গুপ্ত হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও করে। সেজন্য তাদের সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। একবার সভা করতে পারলে দেখবেন আগুন কিভাবে জ্বালায়। এবং জনসভার নামে তারা কি ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
রোববার সচিবালয়ে আগামী ১০ম ডব্লিউটিএর সম্মেলনের প্রস্তুতি সভার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
১২ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভা করবে এবং বিএনপিকে সভা করতে না দেওয়া সরকারের এ অবস্থান কতটা যোক্তিক? এ প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে সভা করবো এবং এ সভা হবে শান্তিপূর্ণ।
আর অন্যরা সভা করতে চায়। সে সভায় তারা গুপ্ত হামলা চালায়। আপনারা দেখেননি তারা কি করেছিল? এখন একবার সভা করতে পারলে দেখবেন আগুন কিভাবে জ্বালায়। আর জনসভার নামে তারা কি ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
গত ৫ জানুয়ারি আমরা চট্টগ্রাম, রাশাহীতে বিএনপিকে সভা করতে দিয়েছিলাম। তারা কি করেছে! উনারা সভা করবেন সেটা (জ্বালাও-পোড়াও) করার জন্য। আর আমরা সমাবেশ করবো শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য।’
অবরোধ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অবরোধ বলতে কিছু নেই। এখন গুপ্ত হামলা, সন্ত্রাসী কার্যকালাপ ও জঙ্গি হামলা চলছে। রেল, লঞ্চ, বাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করেছে। হঠাৎ করে বোমা ফুটানো, বাসে আগুন দেওয়া এছাড়া কিছুই নেই। দেশকে স্বাভাবিক রাখতে সরকারের যা যা করার প্রয়োজন তাই করবে সরকার।’
খালেদা জিয়ার উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কি স্বাভাবিক মুভমেন্ট করতে চান? তিনি চাইলে বাসায় যেতে পারেন। তিনি কি চান? তিনি এখানেই থাকবেন। তিনি সেখানে থাকার জন্য খাট-পালঙ্ক নিয়ে এসেছেন। সেখান থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বহিনী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার লক্ষ্য হলো- অরাজকতা বিশৃঙ্খলা করা। অরাজকতা বিশৃঙ্খলা করে কোনো লাভ হবে না। আজ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হলো, তারপরে এধরনের গুপ্ত হত্যা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বা জঙ্গি তৎপরতা যাতে তারা করতে না পারে সে বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এফবিসিসিআইয়ের আদালতের যাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনের আশ্রয় তো তারা নিতেই পারেন। তবে কল-কারখানা সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে।
এমকে





