পরবর্তীতে ছাত্রলীগ কর্মীরা, জামাতের গোপন বৈঠক চলছে বলে পুলিশকে সংবাদ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ডিবি পুলিশ ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, ফেনী সদর থানা পুলিশ উপস্থিত হয়।

অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ২৬ জন শিক্ষার্থীকে জামায়াত-শিবির সন্দেহে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

কোচিং সেন্টারের পাশের ব্যবসায়ী আনিসুল হক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে জানান, "প্রতিদিনের মতো শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারে ক্লাস করতে আসে। আজকে হঠাৎ স্থানীয় ৪০-৫০ জন ছাত্রলীগ কর্মী জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের অবরুদ্ধ করে পুলিশকে সংবাদ দেয়।"

কোচিংয়ের শিক্ষক জামাল উদ্দিন জানান, "কোচিং এর সুনাম ক্ষুন্ন করতে একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে রাজনৈতিক ট্যাগ লাগানোর চেষ্টা করছে। ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং এর সাথে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।"

আটককৃত অনেক স্বজনদের দাবী তারা আ.লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তারা তাদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য এই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করিয়েছেন। এ ঘটনায় ফেনী সর্বমহলের লোকজন উদ্বেগ প্রকাশ করে।

এনএইচ