ছাত্রশিবির ঝিনাইদহ গান্না সাংগঠনিক থানা শাখার সভাপতি, হাফেজ মো. জসিম উদ্দিনকে গত ১২.০২.১৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৮টায় বাড়িতে ফেরার পথে ডিবি পুলিশ কর্তৃক গাড়ি থামিয়ে গ্রেপ্তারের পর অস্বীকার ও এখনো পর্যন্ত তাকে আদালতে হাজির না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ছাত্রশিবির।

বৃহস্পতিবার এই যৌথ বিবৃতি দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত।

হাফেজ মো. জসিম উদ্দিন ঝিনাইদহ সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার ফাজিল ১ম বর্ষের ছাত্র।

তারা বলেন, আমরা নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে জানতে পেরেছি যে, কোন অপরাধ ছাড়াই রাজবাড়ির গোয়ালন্দতে বাস থেকে নামিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

কিন্তু অভিভাবকরা তার অবস্থান জানতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার সাথে দেখা করলে তারা তার গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে। গ্রেপ্তারের পর বহু দিন গত হলেও এখনো পর্যন্ত তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

প্রকাশ্যে দিবালোকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের এমন সরাসরি অস্বীকার ও আদালতে হাজির না করা নিয়ে নানা আশঙ্কার জন্ম দিয়েছে।

অন্যায়ভাবে নিরাপরাধ ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে অস্বীকার করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের চরম লংঘন । আইনের রক্ষকদের এমন বেআইনি আচরণ কোন ভাবেই কাম্য নয়।

নেৃতৃবন্দ বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠির ইশারায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কথিত বন্দুক যুদ্ধসহ নানা কায়দায় নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছে।

সম্প্রতি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুঠিদূর্গাপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আবু হুরায়রাকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর অস্বীকার করে। পরে এক মাস ছয় দিন পর তার লাশ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে ঝিনাইদহের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের পর অস্বীকার করছে পুলিশ। যা আমাদের উদ্ধেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংগত কারণেই তাদের পরিবারের সাথে সাথে আমরাও গ্রেপ্তারকৃতদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। অবিলম্বে আমরা গ্রেপ্তারকৃতদের অবস্থান নিশ্চিত ও মুক্তি দিতে আইনি প্রক্রিয়া অনুস্বরণ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।

এমবি