বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দিতে আওয়ামী লীগকে বাধ্য করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ইতিপূর্বে গণতন্ত্রের কথা বলে ফেনা তুলেছে। কিন্তু এবার তারা বলছে গণতন্ত্র থাকলে নাকি দেশের উন্নয়ন হয় না। আওয়ামী লীগ মনে করে তারা এদেশের প্রভু। তারা বলে এক নেতা একদেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ
মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার প্রতিবাদ ও বাতিলের দাবিতে ২০ দলীয় জোট এ সমাবেশের আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতাকে কুক্ষিগত, নিরঙ্কুশ ও চিরস্থায়ী করতে এই অবৈধ সরকার একের পর এক অন্যায় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার। এভাবে তারা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়। তারা মানুষের বাক-স্বাধীনতা হরণ করতে চায়।
তিনি বলেন, এর আগে স্বাধীনতার পর এই আওয়ামী লীগ মানুষের বাক-স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। তারা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে জনগণের অধিকার হরণ করেছিল। সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। মাত্র ৪টি পত্রিকা তারা সরকারের নিয়ন্ত্রণে চালু রেখেছিল।
ফখরুল বলেন, আজও ঠিক একইভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ সরকার। গণামধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে অবৈধ ক্ষমতা পাকাপোক্তা করতে চাচ্ছে তারা। এগুলোর একটাই উদ্দেশ্য যাতে তাদের অন্যায়-অপকর্ম নিয়ে কেউ কথা বলতে না পারে।
তিনি বলেন, এই সরকার চ্যানেল ওয়ান, ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি, জনপ্রিয় পত্রিকা আমাদের দেশ বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের মতোই তারা আবারো গণমাধ্যম বন্ধ কে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, শুধু তা-ই নয়, একের পর এক অন্যায় পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আবারও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে এই অবৈধ সরকার। এর মাধ্যমে তারা বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা হাতে নিচ্ছে।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





