বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন,হাজার হাজার লোক মাঠে না নামলে সরকারের পতন ঘটানো যাবেনা।
সরকার খুন,গুম,লুটপাট,অস্ত্রবাজি করে মানুষকে জিম্মি করে রাখতে চায়। কিন্তু সরকার এই অপকর্ম করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেনা।এজন্য দরকার গণঅভুথ্যান।
রবিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও পেশাজীবী নির্যাতন বন্ধের দাবিতে পেশাজীবী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন,ছাত্রলীগের ছেলেরা বন্ধুক উঁচিয়ে গুলি করলেও স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা-কর্মীরদের উপর দোষ চাপান।তারই ধারাবাহিকতায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন,গাজীপুরে গণতান্ত্রিক জনসভায় ১৪৪ ধারা জারি করে ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী বাহিনীকে মহড়ার দায়িত্ব দিয়েছিলো এই অবৈধ সরকার।আমরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিশ্বাসী নয়।তাই আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোল স্বরুপ হরতাল দিয়েছি।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ বলেন,আমরা রক্ত দেয়ার জন্য প্রস্তুত।রক্ত দেয়ার মধ্য দিয়ে এ্ই সরকারের পতন ঘটাবো।
তা না হলে জীবন দিয়ে হারানো গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে ছাড়বো।আমাদের আন্দোলন ক্ষমতা ভোগ করার জন্য নয়।
দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য।আমরা এমপি মন্ত্রী হতে চায়না স্বৈরশাসকের পতন ঘটাতে চাই।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশের) সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, মাঠে নেমে আমাদের আন্দোলনকে সফল করতে হবে।মাঠের আন্দোলন ছাড়া এই সরকারের পতন ঘটানো যাবেনা।
আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমীন গাজীর সভাপতিত্বে
আরও বক্তব্য রাখেন,বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা:এ জেড এম জাহিদ হোসেন,ড্যাবের সহ-সভাপিত অধ্যাপক এম এ সালাম,সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবেদ রেজা,প্রৌকশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু প্রমুখ।
এসএইচ





