প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, বিএনপির দাবি মেনেই দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আদালত পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে দেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া তিন মাস পর তার গুলশান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আদালতে গিয়ে একটি দুর্নীতি মামলায় জামিন নেন রোববার।

পরে কার্যালয়ে না ফিরে তিনি গুলশান এলাকায় তার বাসভবনে গিয়ে ওঠেন।

কিছুদিন আগেও সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন প্রয়োজনে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হবে। আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের মুখ থেকেও এমন বক্তব্য এসেছে।

সেখানে সরকারের বর্তমান অবস্থানের প্রসঙ্গে এইচ টি ইমাম বিবিসি বাংলার সাথে আলাপকালে বলছিলেন, সরকারের নমনীয়তা যেমন নয়, তেমনি এ ব্যাপারে সরকারের কোনও পরিকল্পনা রয়েছে তেমনও নয়।

আমাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে সেগুলো তো বাইরে প্রকাশ্যে আলোচনা করবো না । তবে সিটি নির্বাচন কেন দেয়া হলো কারণ যাতে মানুষ নির্বাচনমুখী হয়। দলীয় কর্মীরা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকলে তারা ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডে অংশ নেবে না।

তিনি বলেন, “আমাদের কাছে তারা যেগুলো বলেছেন, সেগুলো না বললেও আমরা খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতাম। তাকে কার্যালয় থেকে আদালত পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে দেয়া হয়েছে এবং আদালতে, রাস্তায়, সর্বত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে”।

এ বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে সেগুলো তো বাইরে প্রকাশ্যে আলোচনা করবো না ।

তবে সিটি নির্বাচন কেন দেয়া হলো কারণ আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যাতে মানুষ নির্বাচন-মুখী হয়। তিনি চেয়েছেন দলগুলো সংগঠিত হোক। দলীয় কর্মীরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকলে তারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে না”।

এখানে সমঝোতার কোনও ব্যাপার নেই বলে জানান এইচ টি ইমাম। এক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কোনও পক্ষ ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, “তাদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আমরা যে চেষ্টা করলাম তাতে সাড়া দিয়ে বিএনপি গণতন্ত্রের পথে আসবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি”। সূত্র : বিবিসি।

এএইচ