আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী দুপুরে রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ ভবনের সামনে প্রতিকী অনশনরত ব্যবসায়ীদের সমাবেশ লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেষ্টনীর মধ্যে অনশনরত ব্যবসায়ীদের সমাবেশের কাছে দুর্বৃত্তরা কি করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারল তা আমাদের বোধগম্য নয়।

দেশের সচেতন জনগণ মনে করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় সরকারী দলের সন্ত্রাসীরাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেষ্টনীর মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও রহস্যজনক।

সংবাদপত্র ও মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসী অবগত আছেন যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় সরকারী দলের সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন জায়গায় বাসে-ট্রাকে পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে।

পেট্রল বোমা হামলার সাথে জড়িত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা হাতে নাতে ধরা পড়ার পর পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারী শুত্রুবার  রাত ১২ টায় দিনাজপুরÑঢাকা মহাসড়কের মতিহারা বাজারে আওয়ামী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা যানবাহনে পেট্রল বোমা ছুঁড়ে মারার সময় পুলিশ ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল ও জোবায়েরকে ধরে ফেলে।

পুলিশ তাদের রাজনৈতিক পরিচয় জানার পরে তাদের ছেড়ে দেয়। এ থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরাই সারা দেশে বাসে-ট্রাকে পেট্রল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে এবং  বোমা ও ককটেল ফাটিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

ব্যবসায়ীদের সমাবেশ লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

এসএইচ