১৪ দলীয় জোটের শান্তি সমাবেশ নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির ক্যাডারদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং গোলাগুলিতে ওই সমাবেশ পন্ড হয়ে যায়।

শনিবার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শ্যামপুর থানায় কোনো মামলা দায়ের এবং কোনো অস্ত্রধারী অটক হয়নি বলে জানান ডিউটি অফিসার এসআই মাহবুবুর রহমান।

জানা যায়, বিএনপির চলমান লাগাতার হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে ১৪ দলীয় জোটের নেতারা শ্যামপুরের পোস্তগোলায় এক শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার উদ্যোগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

কিন্তু নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সমাবেশে আসার আগেই বিকেল সাড়ে ৪টার শান্তি সমাবেশে সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
পরে রাজধানীর পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে শান্তি সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, ‘বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে আমরা শান্তি সমাবেশের আয়োজন করি। সমাবেশে সাড়ে ৪টার দিকে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের এমপি সনজীদা খাতুনের ক্যাডার মফিজ ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। শাজাহান খান তখনও সমাবেশে আসেননি। এ ঘটনায় সমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে।’

শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার নেতৃত্বে আমরা শান্তি সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে সাড়ে ৪টার দিকে সনজীদা খাতুনের নেতৃত্বে একটি মিছিল আসে। মিছিল থেকে ৬ রাউন্ড গুলি করা হয়।এরপরই সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।’

এ বিষয়ে শ্যামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আজম মিয়া বলেন, ‘গুলির ঘটনা ঘটেছে কিনা, জানি না। তবে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
একে