তিনি বলেন, ‘আমি জাসদ ছাত্রলীগ করেছি। জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে অনেক বিষয়ে আমরা এক হতে পারি না। এখনো ঐক্য নষ্টের চেষ্টা চলছে। জাতীয় ঐক্যে বিভেদ তৈরি করে এমন বক্তব্য না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষি ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন : জাতীয় সংলাপ ২০২৪’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ এ আয়োজন করে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আহত ও শহীদ পরিবার এখনো কেন অভিযোগ করছে। কমিশনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে জাতীয় সংলাপ করতে হবে। সংস্কারের জন্য যতটুকু সময় লাগবে জামায়াত দিবে, তারপর নির্বাচন। জাতীয় ঐক্যের জন্য জামায়াত সব সময় থাকবে।’

এ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান বলেন, ‘যারা প্রাণ দিয়েছে তারা কেমন বাংলাদেশ চায়। লেয়ারের পর লেয়ারে ফ্যাসিবাদের দোসররা। জাতীয় পতাকা খামছে ধরছে বারবার। প্রতিহতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ যেন ফিরতে না পারে।’

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনছারী বলেন, ‘বাংলাদেশের অধিকার রক্ষায় পাশের একটি রাষ্ট্র থেকে ক্যাম্পেইন করে বাংলাদেশকে বিকৃতভাবে চিত্রায়িত করা হলো, তখন পুরো জাতি আবার দ্বিতীয়বারের মতো ঐক্যবদ্ধ হলো। বাংলাদেশে মানুষের মাঝে ইস্পাত সমান একটি ঐক্য তৈরি হয়েছে। সেটি বিনষ্ট করার চেষ্টা চলছে। আমরা গণতন্ত্রের কথা বলি কিন্তু আমি নিজেও গণতান্ত্রিক হতে চাই না। রাষ্ট্র সংস্কারের আগে আমাদের মানসিকতা সংস্কার প্রয়োজন। বাংলাদেশে আইনের অভাব নেই কিন্তু অভাব আছে প্রয়োগের।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘দেশ বর্তমান রাজনৈতিক বন্দোবস্তে চলতে পারে না। দেশের সামনে বড় সুযোগ এসেছে। ঐক্য খুব জরুরি। ঐক্য মানে সব দল এক হওয়া নয়, ভারসাম্য জবাবদিহিতা তৈরি করতে হবে। দু’ মেয়াদের বেশি একজন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। সংবিধানিক পদে নিয়োগ, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট, ক্ষমতার ভারসাম্য কেমনে হবে এসব জরুরি।’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি