বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চলমান স্থিতিশীলতার রক্ষার্থে বিএনপি আলোচনার আহবান জানিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আলোচনার আহবান না শুনলে যুদ্ধের পদধ্বনি শোনা যাবে।

শনিবার  দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সারাদেশের জনগণের কবরের শান্তি নামিয়ে প্রধানমন্ত্রী শান্তিতে থাকতে পারবেন না। কারনকবরের শান্তি যুদ্ধের চেয়ে আরো বেশী নিরাশ্বাস, নি:সঙ্গ ও ভয়ংকর। সরকার যদি প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও নিষ্ঠুর দমনের পথ ধরেন তাহলে তাদের এমন যবনিকা ঘটবে তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। 

বিএনপির সাথে আলোচনার কথা কেন বলা হচ্ছে তা আমার বোধগম্য নহে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য  জবাবে রিজবী বলেন, তার বোধগম্য না হওয়ার কথা। কারন নির্বাচনবিহীন জনসমর্থনবিহীন বিদেশী শক্তির সাহায্য নিয়ে সরকার গঠন করে সাদ্দাতের বেহেশত পেয়ে গেছেন। এখন তিনি ক্ষমতা রক্ষার জন্য বিরোধী দল দমন ছাড়া কিছুই বোঝেন না।  

বিএনপি খুনী দল এমন কথার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন,আওয়ামী লীগ হচ্ছে ফ্যাসিস্ট দল গণতন্ত্রে যে একটা আলোচনার পথ থাকে সেটা আওয়ামী লীগ কখনো মানেনি এখন মানছে না। তারা এক দলীয় শাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। এর আগেও ৭১-৭৫ সালে বাকশাল কায়েম করেছিল। এখন আবার গণতন্ত্রের নামে বাকশাল কায়েম করছে।

রিজভী বলেন, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক জন্মদিনের অনুষ্ঠানের মত। বিএনপি তাদের পাতানো নির্বাচনে গেলে বানুমতির খেলা দেখাতো।

তিনি আরও বলেন, সরকার সন্ত্রাসকে চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। চারদিকে শুধু রক্তের খেলা। বিরোধী দল নির্মূলে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে তাদের অনুগত আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।  

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ। 

ঢাকা, এমএইচ,২৬ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ