রোববার (১৩ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এমনি মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আজ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। অসহায় হয়ে পড়েছে। আর এটার জন্য দায়ী সরকারের উদাসীনতা, ব্যর্থতা।

ফখরুল আরও বলেন, এই সরকার টিকে আছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে। রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠাকে ব্যবহার করছেন অন্যায়ভাবে। বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তারা ব্যবহার করে। আজ সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করার ফলে আজকে ভিন্ন মত যারা পোষণ করছেন, বিরোধী দল যারা করছেন, জনগণের পক্ষে যারা কথা বলার চেষ্টা করছেন তাদের কোন কথা বলতে দেয়া হচ্ছে না।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আজকে যানো কেউ তাদের উপর কথা না বলতে পারে, সংবাদকর্মীরা যানো তাদের দুর্নীতি নিয়ে কথা না বলতে পারে তার জন্য তারা নতুন আইন বের করেছেন সেটা হলো ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট। আমরা একটি হিসাব পেয়েছি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে প্রায় ৬শ এর উপরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২শ এর মতো সংবাদকর্মী গ্রেফতার করা হয়েছিলো।

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিলের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলেছি এই আইনের মাধ্যমে বাক-স্বাধীনতাকে লংঘন করা, মানবাধিকারকে লংঘন করা, আমাদের সাংবিধানিক যে অধিকার আছে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা তারা করে যাচ্ছে। এটা কোন ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আমার অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।

জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিনসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এইচএন