যেখানে গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই, সেখানে মানবাধিকার নেই, যেখানে জবাবদিহিতা নেই আর সেখানে উন্নয়ন কখনোই হয় না বরং সরকারের উন্নয়নের নামে এক একটি পিরামিড দাঁড় করিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমদ আযম খান।
শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম নামক একটি সংগঠন আয়োজিত ‘গুম-হত্যা-ধর্ষণের মহামারীর কবলে বাংলাদেশ, আতঙ্কিত নাগরিক জীবন ও সরকারের ভূমিকা’- শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন ।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আমাদের কে যুগান্তকারী পরিবর্তন দিকে যেতে হবে। আজ গুম, হত্যা, ধর্ষণ, ন্যায় বিচার হীনতা, আইনের শাসন হীনতা, গণতন্ত্রহীনতা, থেকে মুক্তি পেতে হলে একটি মাত্র পথ সেটি হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হাজী মোজাম্মেল হক মিন্টু সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড খন্দকার মোশারফ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ শাহ মো. নেছারুল হক, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতি যদিও আওয়ামী লীগের কিন্তু তারপরও রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি নিরপেক্ষ, তিনি জাতীয় একটি সংলাপ আহবান করে যত দ্রুত সম্ভব এই গুম খুন হত্যা ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেতে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। আর এটি থেকে একেবারে রক্ষা পেতে হলে সবচেয়ে আগে যেটা প্রয়োজন সেটা হল জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আরও বলেন, গুম, খুন, হত্যা ও ধর্ষণের মহামারী থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। কারণ এই সরকার অস্বাভাবিক সরকার। তারা অস্বাভাবিকভাবে দেশ পরিচালনা করছে। অস্বাভাবিক কিছু বেশি দিন টিকে থাকতে পারে না। অতএব এই অস্বাভাবিক অর্থ্যাৎ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত নয়। এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে।
মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি প্রশ্ন রাখতে চাই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বান ২৯ ডিসেম্বর রাতে হয়ে গেছে যা ৩০ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল এটা কি আপনি অস্বীকার করতে পারবেন? অথচ আমাদের সংবিধান আমাদেরকে ভোট দেয়ার অধিকার দিয়েছে। প্রশাসন যুবলীগ, ছাত্রলীগের, সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে জনগণের অধিকার যে আপনি লুট করে নিয়ে গেলেন। এখানে কি আপনি মানুষকে অবহেলা করেননি তাদেরকে কষ্ট দেননি?
এসএম/জেড





