সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে অন্তরীণ। তাকে জোর করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে এবং এখন বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি প্রধান বিচারপতির সব ধরনের যোগাযোগের মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।
জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রধান বিচারপতিকে জনসম্মুখে না আনা পর্যন্ত আইনজীবীদের আন্দোলন চলবে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট বারের আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আরো কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সভাপতির কক্ষের সামনে সুপ্রিম কোর্ট বার আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্ট বারের কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, নিতাই রায় চৌধুরী, সমিতির সাবেক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সমিতির বর্তমান সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন, সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল, তৈমুর আলম খন্দকার, খালেদা পান্না, গোলাম মো: চৌধুরী আলাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, বারের সদস্য আয়শা আক্তার, শামীমা সুলতানা দীপ্তি, আবেদ রাজা, মোহাম্মদ আলী, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, মির্জা আল মাহমুদ, খালেদা পান্না, রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, আরিফা জেছমিন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, শরীফ ইউ আহমেদ প্রমুখ।
জয়নুল আবেদীন বলেন, আইনজীবীরা জানতে চায় প্রধান বিচারপতিকে কারা ছুটিতে পাঠিয়েছে। তিনি নজরবন্দী আছেন কি-না তা আইনজীবীরা জানতে চায়। তিনি বলেন, অনেকে চাকরি রক্ষার জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভায় অংশ নিয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সরকার সমর্থক আইনজীবীদের সভায় অংশ নিয়েছে। এদের অনেকে চাকরি বাঁচানোর জন্য তাদের আন্দোলনে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে।
মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, আমাদের আন্দোলন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আন্দোলন। সরকার বিচার বিভাগের উপর যে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন। আইনজীবীদের আন্দোলনে জালিম সরকারের পতন হবে।
মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি টিভিতে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে তিনি প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতি। এজন্য তিনি বৈষম্যের শিকার।
এমএ





