প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন হবে, তবে তা হবে দেশের আইনও সংবিধান অনুযায়ী। কারো ইচ্ছা বা দাবি অনুযায়ী কোন নির্বাচন হবে না।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাংবাদিক জয়ন্ত আচার্য সম্পাদিত ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা’শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উম্মেচন উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল সোবহান বলেন, খালেদা জিয়া ১ জানুয়ারির নির্বাচনকে অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক বলে থাকেন। তিনি বিদেশে গিয়ে বলছেন এদেশে গণতন্ত্র নেই। কিন্তু তাকে নির্বাচনে আসার অনুরোধ জানানো সত্বেও তিনি তা প্রত্যাখান করলেন। নির্বাচনে অংশ না নিয়ে সারা দেশে জ্বালাও-পোড়াও এর কাজ করলেন। যে ভুল তিনি করেছেন, এখন তিনি ভোগ করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের সামনে তিনটি চ্যালেঞ্জ- দারিদ্র মোকাবিলা; টেকসই উন্নয়নের লক্ষমাত্রা; দুনীতি প্রতিরোধ। আর আমাদের রূপকল্প দু’টি- স্বাধীনতার ৫০ বছরে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা এবং ৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা অস্ত্র নয় বরং জ্ঞান, মেধা এবং যোগ্যতা দিয়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও জঙ্গীবাদকে মোকাবিলা করব। আর প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জঙ্গীবাদ মোকাবিলায় জিরোটলারেন্স ঘোষণা করেছন।

তিনি বলেন, ২০০৪ সালে বিবিসি’র একটি জরিপ অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছন। এখনও যদি সেই ধরণের একটি জরিপ করা হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন।

দেশ উন্নয়নের পথে খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে জানিয়ে ইকবাল সোবহান বলেন, আমরা এমডিজি লক্ষমাত্রা অর্জন করেছি। আর্ন্তজাতিক আদালতে ন্যায্য সমুদ্রসীমা অর্জন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কর্তৃক সম্পাদিত স্থলমীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী একাত্তরের পরাজিত শক্তি আমাদের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা সত্বেও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারি, ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ প্রমুখ।

এমএ/ এআর