বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গণবিরোধী ও অযৌক্তিক। জনগণকে জিম্মি করে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া এ সিদ্ধান্ত।
আজ বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম। আজই গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশের জনগণ সরকারের এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নেবে না। আমরা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের সাধারণ মানুষ নানামুখী সমস্যায় পড়বে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এতে উৎপাদন খরচ বাড়বে, বেড়ে যাবে জীবনযাত্রার খরচ, গণপরিবহন ভাড়া। উচ্চমূল্যে গ্যাসের দাম পরিশোধ করতে গিয়ে বন্ধ হয়ে যেতে পারে শিল্প-কারখানা।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারের এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে শিল্প খাত দারুণভাবে ধাক্কা খাবে। আমাদের গার্মেন্টস খাত ভারত ও চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে না। লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। যার নেতিবাচক প্রভাব শিল্প খাতের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে বাধ্য। সুতরাং এই মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানো যাবে না।’
দাম বাড়ানোর পরিবর্তে গ্যাসের সিস্টেম লস কমানো ও অপচয় রোধের দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জাইকার রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতি টন সার উৎপাদনে গ্যাস খরচ হওয়ার কথা ২৫ হাজার ঘনফুট।
আমাদের দেশে বেসরকারি খাতে প্রতি টন সার উৎপাদনে গ্যাস খরচ হয় ৪০ হাজার ঘনফুট। অন্যদিকে সরকারি খাতে প্রতি টন সার উৎপাদনে গ্যাস খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার ঘনফুট গ্যাস।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ, আ ন হ আখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এমবি





