মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের পরিস্থিতি এখন শান্ত। তাই মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।
শনিবার বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্যানেলিআলোচক হিসেবে আরো ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।
অনুষ্ঠানে কাওসার আহমেদ নামের এক দর্শকের প্রশ্ন ছিল- নাম যা-ই হোক না কেন, একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের জন্যে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নতুন করে দাবি করেছেন। নির্বাচন নিয়ে জটিলতা দূর করতে এ নিয়ে কি আলোচনা হতে পারে?
উত্তরে রুহুল আমিন গাজী বলেন, “একটি সরকার চালাতে গেলে স্থিতিশীলতার প্রয়োজন আছে। আমাদের সব নাগরিকেরই চাওয়া এমন একটি নির্বাচন হওয়া, যা নিয়ে কারো মনে কোনো প্রশ্ন থাকবে না।”
ড. সাদেকা হালিম বলেন, “আলোচনা হতেই পারে। আলোচনার দরজা তো সব সময়ই খোলা থাকা প্রয়োজন।”
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, “বিএনপি একটি সুস্থ রাজনীতির চর্চায় ফিরে এসেছে এ জন্য তাদের ধন্যবাদ। সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচন হবে। বিএনপি ফর্মুলা দিক, তারপর সরকার বিবেচনা করবে।”
তবে আলোচনায় বসার মতো দেশে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি এখনো দাবি করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনেরও কোনো সুযোগ নেই।”
তার কথার উত্তরে হান্নান শাহ বলেন, “শান্তির পথে যদি নির্বাচন না দেন তাহলে তো অশান্তির পথেই যাবে জনগণ…।” তিনি বলেন, “আলোচনায় বসতে চাইলে আমরা অবশ্যই নির্দলীয় সরকার কেমন হবে, সেই ফর্মুলা দেব।”
বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন ও বিবিসি বাংলার আয়োজিত অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ এবং উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।
এএইচ





