বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে তাকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রতিহত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত হরতাল-অবরোধ নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ডাইনি ও জঙ্গি নেত্রী। ৯২ দিন নিজ কার্যালয়ে অবস্থান করে প্রায় ২০০ জন মানুষ হত্যা করেছেন। তিনি হিংস্র নেত্রী। তাই তিনি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারনায় গেলে তাকে প্রতিহত করুন।

তিনি আরো বলেন, পশ্চিম বঙ্গে কিছু দিন পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওখানে মন্ত্রীরা তাদের প্রটোকল নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিবে। বাংলাদেশেও নির্বাচনী আচরণ বিধি সংশোধন করে মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

সভায় খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতের হরতাল আদালতের বিরুদ্ধে হরতাল। এই হরতাল মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। কামারুজ্জামানের রায়ের রিভিউ হয়েছে। রিভিউতে মৃত্যুদ- বহাল রয়েছে। আদালতের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি আসার পর রায় কার্যকর করা হবে। দন্ড প্রাপ্তদের রায়ও কার্যকর করা হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ অবসান ঘটিয়ে ঘরে ফিরেছেন। এই অবরুদ্ধ জীবনে থেকে যে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এর জবাব উনাকে দিতেই হবে। সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের ব্যাখ্যাও দিতে হবে।

সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা দল সমর্থিত প্রার্থী নিয়ে মাঠে নামবে। যদি সন্ত্রাস করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। নির্বাচনে এসেছেন ভালো কথা। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে মানুষ পোড়ানোর অভিযোগ আছে তাদের সমর্থন করবেন না। তারপরও আপনারা সমর্থন দিয়েছেন বোমাবাজদের পরামর্শদাতা মাহী বি. চৌধুরীকে।

নজরুল ইসলাম খানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটা মিথ্যাচার। এটা কোন অবস্থাতেই গ্রহণ করা যায় না।

ব্যারিষ্টার জাকির আহমদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, শাহীন মনোয়ারা হক প্রমুখ।

এমআর/এমকে