ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনসভায় যোগ দিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

গুলশানের বাসা থেকে তার গাড়ি বহর ফার্মগেট-নয়াপল্টন-যাত্রাবাড়ী এবং কাঁচপুর ব্রীজ পার হয়ে নরসিংদী ও ভৈরব হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাবেন তিনি।

এরপর বিকেল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউজে পৌঁছার কথা রয়েছে তার। সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর বিকাল ৪টার দিকে স্থানীয় নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন খালেদা।
এরপর সন্ধ্যা ৬টায় জনসভা শেষে সার্কিট হাউজে বিশ্রাম নেওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় আবারো ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের।

দলীয় সূত্র জানায়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্টু জাতীয় নির্বাচন আদায়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশব্যাপী যে নিরন্তর আন্দোলন ও চলমান সংগ্রামকে আরো বেগবান করতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই জনসভা।

এদিকে সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছে নেতাকর্মীরা। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, বাস, মিনিবাস, সিএসজি চালিত অটোরিকশা এবং পায়ে হেটে সমাবেশকে সফল করার জন্য নেতাকর্মীরা আসছেন। তারা মিছিল নিয়ে সমাবেশে প্রবেশ করছেন। জেলার আশুগঞ্জ, সরাইল, নাসিরনগর, বিজয়নগর, কসবা, আখাউড়া থেকে প্রায় দুই শতাধিক বাসে করে আসছেন নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর নদীপথ হওয়ায় সেখান থেকে নৌকা ও লঞ্চ দিয়ে নেতাকর্মীরা আসছেন।

খালেদা জিয়ার জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি ও জোটের শরিক দলগুলো। রঙিন ডিজিটাল ব্যানার- ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর। খালেদা জিয়ার যাত্রাপথ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রবেশমুখ আশুগঞ্জ থেকে জনসভাস্থল পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার পথে নির্মাণ করা হয়েছে শতাধিক তোরণ।

ঢাকা, এমএইচ, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম