রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের কারনে ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের গণপরিবহনে অতিরিক্ত ৮০ শতাংশ ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে বলে মন্তব্য করছেন যা্ত্রী কল্যান সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ছোট হলরুমে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে, ঈদে বাড়ি ফেরা-বিধ্বস্ত মহাসড়ক, দূর্যোগপূর্ন নৌ-পথ, যানজট-জনজট, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মহোৎসব “গণমাধ্যমের মুখোমুখি যাত্রীরা” শিরোনামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে সংগঠনের মহাসচিব মো: মোজম্মেল হক বলেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের কারনে ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের ৮০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের স্বিকার হচ্ছে। প্রশাসনের উদাসিনতায় সারা দেশে বাস-লঞ্চসহ অন্যান্য গণপরিবহন গুলো ঈদ বকশিসের নামে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রায় ১০হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজিব মীর বলেন, প্রত্যেকটি গণপরিবহনের সাথে রাজনীতি জড়িত। তাদের প্রভাবের কারনেই পরিবহন মালিকরা টিকিটের কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

বাসদের সদস্য রাজেকুজ্জামান বলেন, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। প্রশাসনের মেরুদন্ডহীনতার সুযোগ নিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে নৈরাজ্য চলছে।

সিপিবির সিনিয়র সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন,গণমাধ্যমের বদৌলতে ঢাকা থেকে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের চিত্র জানা গেলেও দেশের অন্যান্য জায়গার বাস্তবচিত্র আরও ভয়াবহ।

রাজনীতির কাছে জিম্মি হয়ে গেছে সাধারণ যাত্রীরা। রাজনৈতিক কর্তা ব্যক্তিদের কারনে পররাষ্ট্র মন্ত্রী তার এলাকায় বিআরটিসির উদ্ভোধন করলেও বাস রাস্তায় নামতে দেওয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি শরিফ রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, মংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মের হক চৌধুরি প্রমূখ।

এমএ