বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরিতে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা জড়িত।
গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে টাকা উধাও হয়ে গেছে তা সঠিকভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। ক্ষমতা থেকে ছিকটে যাওয়ার ভয়ে নিজেদের পুঁজি বাড়ানোর জন্য সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা এই চুরি করেছেন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবীদলের নবম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ জিয়াউর রহমানে ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই টাকা জনগণের টাকা। জনগণের সম্পদ জনগণকে ফিরিয়ে না দিলে গণরোষে এই সরকারের পতন হবে।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে রাবিশ ও ভোগাস মন্তব্য করে তিনি বলেন, আবুল মাল আব্দুল মুহিত কথায় কথায় যেমন রাবিশ, ভোগাস বলেন তেমনি আমি এই নির্বাচন নির্বাচনকে ভোগাস ও রবিশ বলব। এই নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও পৌর নির্বাচনের মত ক্ষমতাসীর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে।
বিএনপির কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯ মার্চের কাউন্সিলের মূল উদ্দেশ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষে আন্দোলন সংগ্রামকে আরো জোরদার করা। এই কাউন্সিলর ঘিরে ত্যাগী ও সাহসী নেতারা চেয়ারপারসনের দিকে তাকিয়ে আছেন। তারা যেন যথাযথ মূল্যায়ন পায়।
গয়েশ্বর বলেন, আদালতের রায়ে এদেশের স্বাধীনতা আসেনি। আদালতের চেয়ে বড় জনতার আদালত। এই আদালতেই প্রমাণিত হয়েছে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হাজী মো. লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল হক ইসা প্রমুখ।
এমই





