সরকার সংলাপ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করছে এমন অভিযোগ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে গিয়েও বাংলায় কথা বলেন এবং তা নিয়ে গর্ব করেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কতাবর্তায় মনে হয় উনি কি বাংলা বোঝেন না, বিএনপি ও দেশের জনগণ কি চায়?
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, কারও ভেতরে যদি আন্তরিকতার অভাব থাকে তাহলে তিনি বুঝবেন কিভাবে? এসময় আওয়ামী লীগ সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ারও আহ্বান জানান রিজভী।
তিনি বলেন, এ সরকার সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ। তাদের হাতে দেশের মানুষ নিরাপদ না।
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ অভ্যূত্থান আসন্ন জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘অবৈধ সরকারের কোন হিং¯্র পরিকল্পনাই কাজে লাগবেনা। অত্যাচার, চক্রান্ত, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন থেমে নেই। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহন একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।’
সরকারকে উচ্ছেদ করতে বিএনপির ‘সংকল্পবদ্ধ’ বলেও জানান দলের এ যুগ্ম মহাসচিব। পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রশাসন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রশাসনে পরিণত হয়েছে দাবি করে তাদের বিচারিক সততা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী আহমেদ।
বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে সরকার নির্যাতন ‘অব্যাহত’ রেখেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিরোধী দলকে শক্তিহীন করার লক্ষ্যে সরকারি নির্দেশে গুম, খুন হচ্ছে।
রিজভী বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক সাংসদ সাইফুল ইসলাম হিরু ও হুমায়ুন কবির পারভেজ গত নভেম্বরে গুম হন। প্রায় একবছর পরে সেপ্টেম্বরে দেওয়া তদন্ত রিপোর্টে পুলিশ বলছে, তারা দু’জন হয়তোবা দুস্কৃতিকারীদের হাতে অপহরণ হয়েছে। এ তদন্ত রিপোর্ট হাস্যকর। প্রতিবেদনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত তাতে কোনো সন্দেহ নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ





