নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে সাবধান হওয়ার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহবান জানান। ২০ দলীয় জোটের অযৌক্তিক হরতাল-অবরোধে পেট্রলবোমায় সাধারণ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা এবং নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার ফোনালাপ প্রকাশ প্রসঙ্গে বলেন, যে খোকা সাহেব বিএনপি জোটের সহিংসতার দায়-দায়িত্ব স্বীকার করে নিয়েছে, সেই সহিংসতাকারীদের সাথে যারা পরামর্শ করছে, যারা সহিংসতাকারীদের সাথে সংলাপের কথা বলছে জনগণের কাছে তারা চিহ্নিত হয়েছে।
আজ যারা সংলাপ সংলাপ করছে তাদের কেউই ঢাকা মেডিকেল বা তাদের পরিবারের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করছে বলে মনে হয় না। আজ সমগ্র পৃথিবী সোচ্চার হয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন বলেছে দেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য জামায়াত ছাড়ুন।
‘গত দেড় মাসে সহিংসতায় নিহতদের মুক্তিযুদ্ধার সম্মাননা দেয়া হবে’ বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদের এমন বিবৃতির প্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারাই মানুষ হত্যা করে তারাই মুক্তিযুদ্ধের সনদ দিতে চাইছে। এটা নিহতদের আত্মার সাথে এবং সমগ্র জাতির সাথে উপহাস মাত্র।’ এমন বক্তব্যের মানে রাজাকারের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের সনদ নেওয়া বলেও মন্তব্য করে তিনি। জাতির সাথে এমন উপহাস না করতে বিএনপির প্রতি আহবান জানান।
ড.হাসান মাহমুদ বলন,আজ হরতালের যে কর্মসূচি ,নৈরাজ্য চলছে তা ইসিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে,পৃথিবীর কোথাও এরকম নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছে জানানেই।
তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াতকে নয় জামায়াতই এখন বিএনপিকে চালায়। ‘জামায়াত শহীদ মিনারে বিশ্বাস করে না, তারা শহীদ মিনারে ফুল দেয় না। ঠিক তেমনিভাবে জামায়াতের পরামর্শেই খালেদা জিয়া শহীদ মিনারে না গিয়ে কার্যালয়ে জামাতের মত মিলাদের আয়োজন করেছে।’
খালেদা জিয়া এখন শুধু বিএনপির নেত্রী নয়, জামায়াতের আমিরে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।
হেদায়াতুল ইসলাম স্বপন বলেন, বেগম জিয়া আজ গুলশান কার্যালয়কে কাশিম বাজার কুঠিতে পরিণত করেছেন, সেখানে থেকে তিনি ষড়যন্ত্র করছেন। কোন শক্তিকে হাতে পায়ে ধরে ক্ষমতায় আসা যাবে না বলেও তিনি যানান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা হাসিবুর রহমান মানিক, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম প্রমুখ।
এএম/ এআর





