বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০ তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে এবার বাজেট ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। কিন্তু বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্মেলন সফল করতে বাজেটের কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করা হচ্ছে।

জানা গেছে মঞ্চ সাজানো, খাদ্য, অভ্যর্থনা এবং প্রচার-প্রকাশনা উপ-কমিটির যা ব্যয় হচ্ছে সেটিই মূল বাজেটের চারগুণের বেশি। আরো জানা যায় কাউন্সিলের দুইদিনে নেতাকর্মীদের খাদ্যের পেছনেই খরচ হচ্ছে দলের অনুমোদন করা বাজেটের প্রায় সমপরিমাণ অর্থ।

এছাড়া অভ্যর্থনা উপ-কমিটির ব্যয় হচ্ছে আড়াই কোটি টাকা। এ কমিটির অধিকাংশ ব্যয় হচ্ছে বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়নে। দলটির সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন উপ-কমিটির সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া সম্মেলন ঘিরে পুরো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোয় আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে শোভা পাচ্ছে ডিজিটাল ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও সম্মেলন সংক্রান্ত ভিডিও প্রচারণা। এসব খাতেও ব্যয় হচ্ছে কোটি টাকা।

উপ-কমিটি সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, সম্মেলনের জন্য দলীয় যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা কোনো উপ-কমিটিকেই ভাগ করে দেওয়া হয়নি। কোষাধ্যক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ চেয়ে নিচ্ছে এসব উপ-কমিটি। এছাড়া এমন অনেক উপ-কমিটি রয়েছে যেগুলো দলীয় বাজেট থেকে কোনো বরাদ্দ এখনও নেয়নি।

একটি নির্ভযোগ সূত্র জানিয়েছে, দলটি সম্মেলনের ব্যয় দলীয় বাজেটের মধ্যেই রাখতে চাই। কিন্তু বিভিন্ন প্রয়োজনে বাড়তি যে ব্যয় হচ্ছে তা দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নির্বাহ করছেন। তবে এসব বাড়তি খরচের টাকা দলটি কারো কাছ থেকে চেয়ে নিচ্ছে না। দলের সম্মেলনের মতো বড় একটি উৎসবে সবাই আর্থিক যোগান দিতে স্বতঃপ্রণোদিতভাবেই রাজি। এখানে কাউকে বাধ্য করে কিছু আদায় করা হচ্ছে না বলেও সূত্রের দাবি।

এমবিএইচ