আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলকে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আনতে হলে জনগণের কাছে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরতে হবে। আর এক্ষেত্রে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
রোববার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচনকারী কাউন্সিলরদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, 'সামনে নির্বাচন। জনগণের কাছে যেতে হবে। তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। উন্নয়নের কথা বলতে হবে।'
আর সেজন্য গত সাত বছরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়নের চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপর জোর দেন শেখ হাসিনা।
দলকে গতিশীল করতে তরুণ ও নবীন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি চাই, আমি বেঁচে থাকতে থাকতে নেতা নির্বাচন করে দলকে শক্তিশালী করে যাব। যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগোবে আওয়ামী লীগ।'
নেতাকর্মীদের সৎ থাকার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে ‘সততা’দেখতে চাই।
দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে কাউন্সিলরদের বাইরে কারও প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। আজ কাউন্সিলরদের মতের ভিত্তিতে দলটির আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
এ দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জেলার নেতাদের রিপোর্ট পেশ। এছাড়া কাউন্সিলরা তাদের বক্তব্য রাখার জন্য ৩ মিনিট করে সময় পাবেন। এতে সাংগঠনিক চিত্র এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন নিয়ে মতামত দিতে পারবেন।
এরপর দলের গঠনতন্ত্রের সংশোধন ও ঘোষণাপত্র অনুমোদন দেওয়া হবে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের পরপরই বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শুরু হবে। এতে কোনও পদে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে। আর একক প্রার্থী হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
সভাপতি কে হবেন তা আগে থেকেই নির্ধারিত। তবে সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন তা নিয়ে এখনও নানা জল্পনা কল্পনা রয়েছে।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককের নাম ঘোষণার পর নির্বাচিত সভাপতি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। এর মাধ্যমে শেষ হবে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা।
নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের সদস্যরা হলেন- দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ড. মসিউর রহমান ও পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্য রাশেদুল আলম।
এমবি





