আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী যুক্তরাষ্ট্রে যে বক্তব্যে দিয়েছেন তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এ ব্যপারে আমি কোন মন্তব্য করতে চাইনা। তবে এ বিষটিকে নিয়ে যারা রাজনীতির মাঠে নেমেছেন এটা দূর্ভিসন্ধিমূলক। এটা নিয়ে রাজনীতি করার কোন অবকাশ নেই। এ নিয়ে মাঠে নামলে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট বসে থাকবে না।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুরঞ্জিত বলেন, আমাদের এক সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে গণমাধ্যম বেশ প্রাণ চঞ্চল হয়ে উঠেছেন। ঘটনাটি দেশের বাইরে ঘটেছে। যে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন এবং এ ব্যাপারে যে ব্যবস্থা নিবেন, তিনিও বিদেশে রয়েছেন। তাই আমাদের ধর্য্য ধরা ছাড়া আর কোন পথ নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে এ ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে। তবে ঘোলা পানিতে যারা রাজনীতির মাছ শিকার করতে চায়। তাদের সাবধান করতে চাই। কে কি বলেছেন তাই নিয়ে মাঠে নামবেন সেটা হবে না। এ নিয়ে উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। দলীয় ভাবে অনেকে মাঠে নামার হুমকি দিচ্ছেন। সেটা ঠিক হবে না। মন্ত্রীর রাজনৈতিক এবং সরকারি অভিবাবক রয়েছেন। দেখেন এ ব্যাপারে তিনি কি সিদ্ধান্ত নেন।
সুরঞ্জিত বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির বিপক্ষে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোন অবস্থান কোন দিন ছিলনা এবং তিনি নিবেনও না।
তিনি বলেন, বিবিসিতে একটি নিউজ দেখেছি মন্ত্রী সেখানে তার কথা বলেছেন। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সে ব্যাপারে তাকেও কথা বলার সুযোগ দেয়া উচিত। এ ব্যাপারে আমি মতামত দিতে চাই না।
আওয়ামী লীগরে এ প্রবীণ নেতা বলেন, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যত কম কথা বলা যায় সেটাই ভালো। এটা করলে দল ও সরকারের পক্ষে সুবিচার করা হয়।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাম্যবাদী দলের স্থায়ী কমটির সদস্য হারুন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু একাডেমির মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।
এমআর, জেএ





