আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই। দেশে কিতুঘলকি শাসন চলছে ? দেশে যেভাবে গুম-খুন আর ভোটারবিহীন বিভিন্ন নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে তা আপনি কতদিন পর্যন্ত অব্যাহত রাখবেন।
শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় জিয়া নাগরিক ফোরাম- জিনাফ এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে অবিলম্বে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সন্ধান এবং চলমান হত্যা-গুম- খুন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে নাগরিক সমাবেশে এমন প্রশ্ন রাখেন জয়নুল আবদীন ফারুক ।
জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, আমি যখন বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ ছিলাম সংসদের সামনে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমাকে সেদিন হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছিল। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে জনমত গড়ে তোলার কারণে ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যারা এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলবে তাদের কারো রক্ষা নেই। আমার দেশ পত্রিকার সাহসী সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে যখন গ্রেফতার করলো তখন যদি দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলা যেত, তাহলে শওকত মাহমুদ কিংবা শফিক রেহমানকে এভাবে গ্রেফতার করে নির্যাতন করতো না। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার বলেন, আমরা একটি দুঃশাসনের মধ্যে বসবাস করছি। এই দুঃশাসনের অবৈধ সরকারকে যদি পতন করতে না পারি তাহলে গুম হওয়া এম. ইলিয়াস আলীসহ কাউকে ফেরাতে পারবো না। কারণ, গুম-খুন এখন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্যে পুলিশকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে। আর এই সুযোগে পুলিশ আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দেশে আইনের শাসন বলে কিছুই নেই। ৮২ বছর বয়সে শফিক রেহমানের মত একজন দেশপ্রেমিক সাংবাদিককে কারাগারে নিয়ে রিমান্ডে নির্যাতন করছে। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সকল পেশার নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।
জিয়া নাগরিক ফোরাম- জিনাফ’র সভাপতি লায়ন মিয়া মোঃ আনোয়ার এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে.এ জামান এর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক।
আর বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপির সহ স্বেচ্ছা বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোঃ রহমাতুল্লাহ, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূইয়া, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাবেক কমিশনার ফরিদউদ্দিন ফরিদ, সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মনিরুজ্জামান মনির, বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আসাদুজ্জামানসহ প্রমুখ।
এইচ ই





