এনডিপির পর এবার বহিষ্কারের হিড়িক চলছে ন্যাপে। ২০ দলীয় জোট থেকে বের হওয়ার পর এবার ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এম এন শাওন সাদেকী নিজেকে বাংলাদেশ ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাবি করে তাদেরকে বহিষ্কারের কথা জানান।

নিজের ফেসবুক ওয়ালে শাওন লিখেছেন, ‘প্রিয় দেশবাসী আসসালামু আলাইকুম, আমি এম এন শাওন সাদেকী আপনাদের জানাচ্ছি বাংলাদেশ ন্যাপ ২০ দলীয় জোটের সাথে আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশ ন্যাপের সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি ও কার্যক্রম লঙ্ঘন করায় বাংলাদেশ ন্যাপ থেকে জেবেল রহমান গাণি ও গোলাম মোস্তফা ভূইয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত ১১টায় জরুরি মিটিং ডেকে। আমি এম এন শাওন সাদেকী বাংলাদেশ ন্যাপের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ ন্যাপ ২০ দলীয় জোটের সাথে আছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

মো. মুত্তাকিমের নেতৃত্বে এনডিপি এবং এম এন শাওন সাদেকীর নেতৃত্বে ন্যাপ বিএনপি জোটে স্বীকৃতি পাবে কিনা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে বিএনপি জোটের অতীত পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৪ সালে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রয়াত শেখ শওকত হোসেন নিলুর জোট ছাড়ার মধ্য দিয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর ভাঙনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের নেতৃত্বে এনপিপির একটি অংশ বিএনপি জোটে যুক্ত থাকে। এর ধারাবাহিকতায় এনডিপির তৎকালীন মহাসচিব মো. আলমগীর মজুমদার এবং চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তাজার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার চলে। আলমগীর মজুমদার জোট ছেড়ে যায়, খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা বিএনপি জোটে থেকে যায়।

ভাসানী ন্যাপ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মধ্যেও ভাঙন দেখা গেছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, দলগুলোর খণ্ডাংশকে রেখে দিয়ে বিএনপি ২০ দলের নাম বজায় রেখেছে। অবশ্য এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। দলটির মধ্যে দুই ভাগ থাকলেও দুই অংশই বিএনপি জোটে যুক্ত রয়েছে।

জেড