আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনি মোতায়নের ব্যপারে ১৯ শে এপ্রিল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার সন্ধ্যায় বিএনপির প্রতিনিধীদলের সাথে আনুষ্ঠানিক দেখা করার পর নির্বাচন কমিশনের মাতমত ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রধাননির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির দাবি সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনি মোতায়েন করা। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে শুধু নয় এ ব্যপারে আমরা আগেও বলেছি যে আগামি ১৯ এপ্রিল আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে আমাদের বৈঠক আছে সেখানে সেনাবাহিনি মোতায়েন করা হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

কাজী রকিবুদ্দিন আরো বলেন, বিএনপি বলেছে যে রিটার্নিং অফিসার যেন দলীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া না হয়, আমরা রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্কুল মাদ্রাসার ও কলেজের শিক্ষকদের নিয়োগ দিই এ ক্ষেত্রে সে কোন দল করে তা যাচাই করা কঠিন।

নির্বাচনের যে প্রর্থীরা আত্মগোপনে আছে তাদের ব্যপারে নির্বাচন কমিশন কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যারা আত্মগোপনে আছে এটা তাদের ব্যপার, এ বিষয়ে আমাদের করার কিছু নেই। আমরা তো আর সে কোথায় আছে সেখানে গিয়ে তাকে বের করে আনতে পারবো না।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বিএনপির প্রতিনিধি দল আমাদের বলেছেন যে অতিতে জেলে থেকে প্রার্থীরা যদি নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারে এটা ভোটারদের ব্যপার।

প্রার্থীদের বাড়িতে গিয়েযে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এ ব্যপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কি জানতে চাইলে ইসি কমিশনার জানান, পুলিশের অভিযান বন্ধকরা ইসির কাজ না, এটা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখবে।

তিনি আরো বলেন, যে প্রার্থীর নামে মামলা আছে তারা আদালত থেকে বেল নিয়ে আসুক তাহলে পুলিশ আর ঝামেলা করবেনা।

বিএনপির দাবি সুষ্ঠ নির্বাচন করতে হলে দলীয় অফিসগুলো খুলে দিতে হবে এ ব্যপারে নির্বচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন তাদের (বিএনপির প্রতিনিধি দলের) অনেক দাবিই ছিলো তাদের দলীয় অফিস খুলে দেওয়া, প্রার্থীরাদের যাদের নামে মামলা আছে তাদের ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া, সেনাবাহিনী মোতায়েন, তারাই (বিএনপির প্রতিনিধি দল) বলেছেন এগুলো আইনের ব্যপার।

ঢাকা উত্তরের প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়ন পত্র বাতিলের ব্যপারে ইসি কমিশনার বলেন, আমরা বিএনপির প্রতিনিধি দলকে বলেছি সাংবিধানিকভাবে তিন দিনের মধ্যে আপিল করলে আদালতে তার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, একটি পক্ষ বারবার বলে আসছে হঠাৎ করে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কেন? নির্বাচন হঠাৎ করে নয়, নির্বাচন ১২ বছর পর হচ্ছে। এ সিদ্ধান্তের ব্যপারে বার বার তারাই (রাজনৈতিক মহল) তাগিদ দিয়ে আসছিলো।

উল্লেখ্য, বুধবার সাড়ে তিনটার সময় বিএনপির স্থায়ি কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহর নেতৃত্বে ৭ সদেস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনারের সথে সাক্ষাত করতে এসে ৮ দফা দাবি পেশ করেন।

এআই/এমকে