বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এক বছর ১০ মাস আদালতের রায়ের ওপর ভরসা না করে আমরা আন্দোলন করলে এতদিনে নেত্রী মুক্তি পেয়ে যেতেন।

আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রচার দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘গণতন্ত্রিক আন্দোলনটাই হচ্ছে যথার্থ। আমরা যদি গণতান্ত্রিক ভাবে সফল হতে পারি খালেদা জিয়া বিনা প্রশ্নে চলে আসবেন তার বাড়িতে। তাকে আটকে রাখা তো দূরের কথা কত- তাড়াতাড়ি তাকে গাড়ি করে বাড়িতে পৌঁছে দিবেন সে জন্য ব্যস্ত হয়ে যাবেন তারা। সুতরাং মনে রাখতে হবে জনগণের দাবি সবসময় আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আদালতের রায়ের মাধ্যমে নয়।

গয়েশ্বর রায় বলেন, দেশের জনগণ যা কিছু পেয়েছে, আন্দোলন করেই পেয়েছে, আদালতের রায়ে পায়নি। দেশ স্বাধীন করা হয়েছে, সেটাও আন্দোলনের মাধ্যমে, যুদ্ধের মাধ্যমে হয়েছে, আদালতের রায়ে হয়নি। নেত্রীকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন করেই করতে হবে। আদালতের রায়ে হবে না।

দেশে গণতন্ত্র নেই, আছে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, সরকার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে জিয়া পরিবারের ওপর। এ জিয়া পরিবারের সংখ্যা দেশে কম হলেও ১৬ কোটি। এ পরিবারের প্রতি ষড়যন্ত্র করা মানেই দেশের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি ষড়যন্ত্র করা। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্তু গণতন্ত্র পাইনি। আমাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার জরুরি। গণতন্ত্র নিয়ে যদি আমরা আন্দোলন করি, তাহলে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারব।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাহফুজ কবির। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমএম