একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচিত পাঁচ সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল,নাকি ভুল ছিল সেটি ভবিষ্যতেই প্রমাণিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নাগরিক অধিকার ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গয়েশ্বর রায় এ কথা বলেন।

তবে এই আশা ঠিক ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেছেন: এখন মনে হচ্ছে আশা ঠিক ছিল না। কারণ, শেখ হাসিনা বলেছেন, তারেক রহমান বেশি বাড়াবাড়ি করলে খালেদা জিয়াকে আজীবন কারাগারে থাকতে হবে।

গয়েশ্বর বলেন: তার মানে আইনের কারণে নয়, আদালতের কারণে নয়। শেখ হাসিনার ইচ্ছায় খালেদা জিয়াকে বন্দি থাকতে হবে।

গয়েশ্বর প্রশ্ন করে বলেন: শেখ হাসিনা কি এমন কথা বলার অধিকার রাখেন? এটি কি আদালত অবমাননা নয়? মাননীয় আদালত কি তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে পারবেন, কিভাবে তিনি এমন বক্তব্য রাখেন?

বিএনপির এই নেতা বলেন: প্রথমে আশা করেছিলাম, আমাদের সাংসদরা সংসদে যাওয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে। কিন্তু শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর তা আর মনে হচ্ছে না। তবুও আমরা আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করব।

দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সমালোচনা দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস কমায় উল্লেখ করে গয়েশ্বর রায় আরো বলেন, ‘আমরা কারো বিরুদ্ধে সমালোচনা না করে নিজের আত্মসমালোচনা করে সংশোধনের মাধ্যমে ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলি। এতে দল শক্তিশালী হবে, দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’

নাগরিক অধিকার ফোরাম আয়োজিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হাসান আলাল, বিএনপি নেতা আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ।

এএস