প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন আমাদের অস্তিত্বের নির্বাচন। ওই নির্বাচন না হলে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি, বিএনপি-জামায়াত যেত।’
বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা বিসিএস অফিসার কল্যাণ সমিতি আয়োজিত ২০ দলীয় জোটের সাম্প্রতিক নাশকতা ওধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে, ‘রুখো সন্ত্রাস বাঁচাও দেশ’ প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আপনারা অনেকে বলছেন- পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে গেছে, তারা ভালো ভাবে কাজ করছে না। এটা সঠিক তথ্য নয়। আমরা পুলিশের সঙ্গে খুব ঘনিষ্টভাবে কাজ করছি। পুলিশকে আরও শক্তিশালী করা হবে। তাদেরকে অস্ত্র দেয়া হবে। আর আমরও যদি তাদের সঙ্গে (পুলিশ) থাকি তাহলে এই অপশক্তিকে নিশ্চিন্ন করতে পারবো। না হলে বাংলাদেশ নিশ্চন্ন হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আমরা যেভাবে যুদ্ধ করেছি। এখন হলো আসল যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আমাদের জয়লাভ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপি এখন আর বিএনপি নেই। তারা এখন জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে মিলে গেছে। এদের মূল লক্ষ্য, ক্ষমতায় গিয়ে পাকিস্তারে সঙ্গে মিশে যাওয়া।
এইচ টি ইমাম বলেন, এখন পেট্রোলবোমা হামলাকারীরা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা না থাকলে, এই অস্ত্র বাংলাদেশে আসতো না। পেট্রোলবোমার সঙ্গে এখন ‘ফসফরাস বা ক্যামিকেল ওয়েপেন’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে তাৎক্ষনিকভাবে একটি বাসের মধ্যে থাকা সকল যাত্রী পুড়ে যায়। এরা এখন ইন্ডিয়া থেকে আনা নতুন গাড়িগুলোর ওপরই বেশি হামলা করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত হয়ে, আমাদেরকে পাকিস্তান, সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এটা আমাদের অস্তিস্তের প্রশ্ন। তাই সবাইকে সংগঠিত করতে পারলে, এদেরকে পরাজিত করতে পারবো।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মুসলীম লীগ, নেজামে ইসলাম ও ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনসহ অনেকে স্বাধীনতার যুদ্ধের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়েছিল। তখন পুলিশ ও সেনাবাহিনী কতটা ছিল? মুক্তিযোদ্ধারাই সে সময় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান জ্ঞানপাপীরা সে কথা বলেন না।
সংগঠনের সভাপতি এস কে হাবিবুল্লাহর সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক ড. মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যাক্তি ও সাংবাদিক।
এমআর, জেএ





