পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া লঞ্চ ‘পিনাক-৬’ উদ্ধার না হওয়াকে চরম ব্যর্থতা বললেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপেই এ ধরনের লঞ্চডুবির ঘটনা চিরতরে বন্ধ হবে।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমির এক আলোচনা সভায় সুরঞ্জিত এসব কথা বলেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘পিনাক-৬’ ডুবে যাওয়া অত্যন্ত মর্মান্তিক। ডুবে যাওয়া লঞ্চের লাশগুলো বিকৃত হয়ে গেছে। তারপরও পদ্মার পাড়ে এখন লাশের জন্য হাহাকার। এতো অগ্রসর যুগেও লঞ্চ খুঁজে না পাওয়া চরম ব্যর্থতা।’
তিনি বলেন, যারা লঞ্চ ডুবার জন্য দায়ী তাদের নামে মেরিটাইম কোর্টে অনেক মামলা রয়েছে। কিন্তু এর একটারও বিচার হয়নি। লঞ্চ ডুববে আর মালিকেরা দায়ী হবে না, এটা হতে পারে না। মেরিটাইম কোর্টে দায়ীদের আড়াল না করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান তিনি।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘আমরা আর লঞ্চ ডুবি দেখতে চাই না। পদ্মা, যমুনার পাড়ে হাহাকার দেখতে চাই না। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।’ তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করবে ততক্ষণ এর স্থায়ী হবে না। ’
তোবা গার্মেন্টস ইস্যু সমাধানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী ও বিজিএমইএ আরও আগেই ব্যবস্থা নিতে পারতো বলে মনে করেন সুরঞ্জিত। তিনি বলেন, ‘তোবা গার্মেন্টস নিয়ে আরও আগেই সচেতন হওয়া উচিত ছিল। এখন আমাদের দেখতে হবে ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে।’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক আইনজীবী স্টিফেন জে র্যা পের কঠোর সমালোচনা করে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে, সংগঠনের বিচার করা যাবে না-আপনি এটা কই পাইলেন? যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হবে, সংগঠনেরও বিচার হবে। এর থেকে শেখ হাসিনা সরকারকে কেউ সরিয়ে নিতে পারবে না। ওই সময় গণহত্যায় জড়িত জামায়াত-শিবিরের বিচার হবে।’
সংগঠনের উপদেষ্টা এ কে এম নাজির মিয়ার সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসেন প্রমুখ।
ঢাকা, ৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





