আলোচনা ও আন্দোলন একসঙ্গে চলতে পারে না মন্তব্য করে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশের জনগণ এই সরকারের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে। কিন্তু বিএনপি সঠিক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।
সোমবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, বিএনপি একদিকে মনে করে দলকে সংগঠিত করবে অন্যদিকে মনে করে আন্দোলন করতে হবে। সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বিগত দিনে দেশের জনগণ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল তখন আমরা যারা ঢাকায় অবস্থান করেছিলাম তারা সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারিনি। আর তাই আজও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, জনগণ এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে নেতৃত্ব রাজপথ থেকে নিয়ে আসা। কেননা সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিতে ব্যর্থ হলে আমাদের আরো বড় খেসারত দিতে হবে।
গয়েশ্বর বলেন, বিএনপি’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অতীতেও হয়েছে বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। সেই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
এ সময় তিনি দলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি’র আলোচনার বিষয়বস্তু যদি এমন ছিল যে, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় নির্বাচন হবে এবং পরবর্তীতে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচন হবে। তবে তা কেন গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ না করে আন্দোলন বন্ধ করে দেওয়া হলো।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার জেগে উঠেছে। এই সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া যাবে না। তাই হল রুমের স্লোগান না দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করতে রাজপথে স্লোগান ছড়িয়ে দিতে হবে।
এ সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে মঞ্চে অন্যান্যের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক ড. মাহফুজ উল্লাহ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. পিয়াস করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা, এমএইচ, ১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম





