পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের লোকজন হামলার সময় বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি হামলাকারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “তোমরা যারা সরকারের প্রশ্রয়ে গুণ্ডামি করছো তোমাদের পরিণতি ভালো হবে না।”

“এদেশ থেকে এখন গণতন্ত্র উঠে গেছে। এখন মানুষের ভোটের অধিকার নেই। অবৈধ খুনি অত্যাচারী সরকার মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে।”

খালেদা জিয়া বলেন, “তারা কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেই। কেবল চুরি চুরি আর চুরি করছে।এই ‘চোরদের’ প্রতিহত করতে তরুণ প্রজন্মের নেতা তাবিথ আউয়ালকে ভোট দিন।

বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পরপরেই ঢিল মারতে শুরু করে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা। এরপরই শুরু হয় বেপরোয়া হামলা ও ভাঙচুর।

বিএনপি নেত্রী কারওয়ান বাজারে গণসংযোগ করতে গেলে তাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ভবনের ওপর থেকে বৃষ্টির মতো ইট ছোড়া হয়। লাঠিসোটা নিয়েও হামলা চালায় একদল মানুষ। এ সময় কারওয়ান বাজারে একটি পথসভায় হ্যান্ড মাইকে বক্তব্য দিচ্ছিলেন খালেদা।

হামলার মুখে তার নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে নিরাপদে গাড়িতে উঠিয়ে কারওয়ান বাজার থেকে সরিয়ে নেন। খালেদা অক্ষত থাকলেও তার নিরাপত্তাকর্মী ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। ইটের আঘাতে খালেদার বহরে থাকা প্রায় সব গাড়ির কাঁচ ভেঙেছে।

এলোপাথারি ভাঙচুর করা হয়েছে তার নিরাপত্তকর্মীদের (সিএসএফ) গাড়িসহ বেশ কযয়েকটি গাড়ি। এতে খালেদার কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন। খালেদা জিয়ার গাড়ির সামনের অংশে রক্তের দাগও দেখা গেছে।

এরপর মালিবাগ এলাকায় চলে যান খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি প্রচারণা চালান।

এএইচ