সংশোধিত বিএনপির গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধন করা কেন অবৈধ হবে না, সে বিষয়ে রুল জারি করা হয়েছে। 

আজ (৩১ অক্টোবর) দুপুরে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মাদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।  

বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করায় ঢাকার কাফরুল থানার বাসিন্দা  মোজাম্মেল হোসেন সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। তিনি নিজেকে বিএনপির সমর্থক দাবি করেন।

যদিও রিটের শুনানি করেছেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নেতা মমতাজ আহমেদ মেহেদী। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাব্কে সাধারণ সম্পাদক। গতকাল (৩০ অক্টোবর) দায়ের করা রিটটির আজ (৩১ অক্টোবর) বুধবার শুনানি হয়।

রিটের পক্ষে আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন মেহেদী জানান, এই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আজ এ আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে ৩০ দিনের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলীয় কাউন্সিলে গঠনতন্ত্রে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সেই সংশোধনীসহ বিএনপির নতুন গঠনতন্ত্র চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি জমা দেয়া হয় নির্বাচন কমিশনে। তাতে দেখা যায়, বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ ধারাটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। 

এমবি