বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তাহের।
জামায়াত নেতা বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের কিছু কিছু বিষয়ে আরও ক্লারিফিকেশন দরকার। আমরা নিজেরা বসে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’
জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হলে এর গুরুত্ব অনেকটা চাপা পড়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তাহের।
আরেক জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘জণগনের গণদাবি ও অভিপ্রায় উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি।’
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট হলে সেদিন যদি কোনো গন্ডগোলে ব্যালটের ভোট বন্ধ হয়, তাহলে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের কী হবে। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট কী হবে, এটার ব্যাখ্যাও স্পষ্ট হয়নি ভাষণে।’
দলীয় কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘সংকটপূর্ণ নির্বাচনের আশা করেছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু সেই সংকট রয়েই গেল।’
আগামী ১৬ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে আট দলের দেওয়া অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এর আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। চারটি বিষয়ের ওপর করা একটি প্রশ্নেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন ভোটাররা।
এমএম