বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আদালতে হাজির হবেন মর্মে প্রটেকশন চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিজভীর পক্ষে তার আইনজীবীরা এ আবেদন করেছেন।

তারা জানান, রুহুল কবীর রিজভী আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন। এজন্য এ আবেদন করা হয়েছে। রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে শুনানি শেষে আইনজীবী মোঃ সানাউল্লাহ মিঞা ন্যাশনাল কোর্ট রিপোটার্স এসোসিয়েশেন ঢাকার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

আদালতে করা আবেদন সম্পর্কে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিঞা সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু পল্লবী থানার মামলার নং-৭০(১)১৬, ধারা-১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)২৫ঘ তৎসহ ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক আইনের ৩/৪/৬ ধারা। এ মামলায় ইতিপূর্বে রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত সেজন্য আদালতে তার প্রটেকশন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে বর্তমানে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন অফিস হাউজ নং-৫, রোড নং-৮৬, গুলশান-২, থানা-গুলশান, ডিএমপি ঢাকা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা রিজভী ঘেরাও অবস্থায় থাকায় আদালতে আসার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। রিজভী আদালতে আসার সময় আইনশৃংখলা বাহিনীর কোনো সদস্য যাতে গ্রেফতার করতে না পারে সে জন্য প্রটেকশন দরকার। প্রটেকশনের আদেশ না দিলে রিজভী অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরো বলেন, আদালতে যে আবেদন করা হয়েছে। আদালত সে আবেদনের ওপরে কোনো আদেশ দেয়নি, তবে বলছে আত্মসমর্পণ করেন।

এ ব্যাপারে বিশিষ্ট আইনজীবী মুহাম্মদ পি কে আব্দুর রব বলেন, যিনি স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হতে চান, তাকে পুলিশের সহায়তা দেয়া উচিৎ। যদি পুলিশ সহায়তা না দেয়, তাহলে বুঝতে হবে ছলে বলে কৌশলে গ্রেফতার করে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করাই পুলিশের উদ্দেশ্যে। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সরকারের উচিৎ রিজভী আহমেদকে পুলিশের সহায়তা দিয়ে আদালতে হাজির করা।

এমআইএস