ব্যাক্তিগত কাজে জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় আসার পথে রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে ছাত্রশিবির জয়পুরহাট জেলা সভাপতি ও সেক্রেটারীকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর অস্বীকারের প্রতিবাদ ও অবিলম্বে তাদের সন্ধান দাবী করে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, ব্যক্তিগত কাজে ছাত্রশিবির জয়পুরহাট জেলা সভাপতি আবু যর গিফরী ও সেক্রেটারী ওমর আলী গত ৮ই ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় জয়পুরহাট বাসষ্টান্ড থেকে হানিফ বাস যোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

পরে তারা ঢাকার আব্দুল্লাহপুর এসে পৌছালে পুলিশ তাদের বাস থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করে।

এর পর থেকেই তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তাদের সন্ধানের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা ও কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হয়।

কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে আসছে। অন্যায়ভাবে নিরাপরাধ ছাত্রদের গ্রেপ্তার করে অস্বীকার করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের চরম লংঘন। আইনের রক্ষকদের এমন বেআইনি আচরণ কোন ভাবেই কাম্য নয়।

ছাত্রশিবির একটি নিয়মতান্ত্রিক সংগঠন এবং দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। আর নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের অধিকার সকল নাগরীকের সাংবিধানিক অধিকার।

কিন্তু শুধু রাজনৈতিক বিরোধীতার কারণে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের প্রতি বিরুপ আচরণ করে যাচ্ছে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একটি নিয়মতান্ত্রিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর এমন নিষ্পেষন মূলক অগণতান্ত্রিক আচরণ আইনের শাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন ছাড়া কিছু নয়।

নেৃতৃবন্দ বলেন, একটি বিশেষ গুষ্ঠির ইশারায় বহুবার দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তারের পর অস্বীকারের পর কথিত বন্দুক যুদ্ধের নামে নিরাপরাধ মেধাবী ছাত্রদের হত্যা করেছে।

যাদের বেশির ভাগই ছাত্রশিবিরের নিরাপরাধ নেতাকর্মী। যা আমাদের উদ্ধেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সংগত কারণেই তার পরিবারের সাথে সাথে আমরাও গ্রেপ্তারকৃতদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত।

অবিলম্বে আমরা গ্রেপ্তারকৃতদের অবস্থান নিশ্চিত ও মুক্তি দিতে আইনি প্রক্রিয়া অনুস্বরণ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।

এসএইচ