ঈদের পরে আন্দোলন প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড কামরুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত জোট সাধারণ মানুষকে ভীত-সন্ত্রস্ত্র করতেএকের পর এক হুমকি দিচ্ছে, কিন্তু ঈদের পরে আন্দোলন করার সাংগঠনিক ক্ষমতা তাদের নেই।
শুক্রবার সকালে নগরীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ঈদের পরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ঈদের পরে তারা কিছুই করতে পারবে না। বড়জোর কয়েকটি সভা সমাবেশ করতে পারবে বলে আমি মনে করি। অহেতুক তারা আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছে, তবে বিএনপির আন্দোলনে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০১৮ সাল পযর্ন্ত দেশ পরিচালনা করবো। এখন সংলাপ ও আলাপ আলোচনার কোনো সময় নেই।এখন দেশের জন্য কাজ করার সময়। আমরা কাজ শুরু করেছি মাত্র।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের শেষ সময়ের ন্যায় দেশের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য তারা (বিএনপি-জামায়াত) ষড়যন্ত্র করছে। তাদের ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সাম্প্রদায়িক হামলা প্রসঙ্গে কামরুল ইসলাম বলেন, জিয়া-এরশাদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার লক্ষই ছিল হিন্দু সম্প্রদায়। যখনই তারা কোনো আন্দোলন করেছে তখনই আক্রোশের শিকার হয়েছেন হিন্দু সম্প্রদায়। এটা আর বরদাস্ত করা যায় না।
ঢাকা মহানগর সার্বাজনীন পূজা কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম ও আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।
ঢাকা, ১৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ





