সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মওদুদ ইন্তেকাল করেন।
বিএনপির এই নেতার মৃত্যুতে এক শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মওদুদ আহমদের চলে যাওয়া শুধু বিএনপির জন্য নয়; দেশের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তিনি আজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, মওদুদ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন, ছিলেন একজন খ্যাতনামা আইনজীবী ও উঁচু মানের লেখক। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার চলে যাওয়ায় আমরা শোকাহত। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতি, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ০২ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন মওদুদ। এরপর ১০ মার্চ সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়।
এর আগে বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দুই দফায় মওদুদ আহমদকে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান তাঁর ফুসফুসে পানি জমে যায়। পরে এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে তাঁকে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে আছেন স্ত্রী হাসনা মওদুদ আহমেদ।
মওদুদ আহমদ আইনমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন। এরশাদ সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। তবে এর আগে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এমবি





