চোখের চিকিৎসা নিতে লন্ডনে যেতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। চলতি মাসের মধ্যেই তিনি লন্ডন যাবেন। এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ঠজন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, ১০ আগস্টে লন্ডন যাত্রার সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়া জোরদার করবেন বলেও জানায় সূত্রগুলো।
এর আগে গত ২০১০ সালের মে মাসে লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। পূর্ব লন্ডনের গোরস ভেনর নামের হোটেলে মায়ের সাথে স্ত্রীসহ দেখা হয় তারেক রহমানের। ওই সময় স্থানীয় একটি হাসপাতালে চক্ষু বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাসেবা নেন খালেদা জিয়া। এখন চোখের সমস্যা দেখা দেয়ায় লন্ডনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি প্রধান। একইসঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর বড় ছেলের সাথে দেখাও হবে সেখানে।
লন্ডন বিএনপির একটি সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে গেলে সে দেশের সরকারের উচ্চপদস্থ কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে খালেদা জিয়ার দেখা হতে পারে। তাছাড়া ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি বাংলাদেশের বংশোদ্ভূত রুশনারা আলীর সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে পারে। এছাড়া সেখানকার বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এমন প্রত্যাশা আছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের।
গুলশান কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, চিকিৎসা ছাড়া্ও বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যেই এ সফর।
এ সফরে দল পুনর্গঠনের নানা দিক নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। গত রমজানের শেষের দিকে ওমরা পালনের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তারেক রহমানের দেখা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সফরসঙ্গীদের ভিসা জটিলতায় শেষ মুহূর্তে সফর স্থগিত করেন খালেদা জিয়া।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে ওমরা পালনের সময় দেখা হয় মা-ছেলের।
এ বিষয়ে দলের কয়েকজন নেতাকে ফোন দিলে তারা বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হয় নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চেয়ারপারসনের একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা টাইমনিউজকে বলেন, তিনি চিকিৎসার জন্য যে কোনো দেশে যেতে পারেন। তার চোখের সমস্যা আগের চেয়ে বেড়েছে সেটা জানি। তবে লন্ডন যাবেন কি না, গেলেও কবে যাবেন তা বলতে পারব না।
এমএইচ/কেএইচ





