নির্বাচন কমিশনে গত অর্থ বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। হিসাব মতে গত বছরে দলটির আয় ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ৫’শ টাকা আর ব্যয় ১ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩০৩ টাকা।
ওই বছর ব্যয় বেশি হয়েছে ৩২ লাখ ২২ হাজার ৮০৩ টাকা। তবে এর আগের বছরে বাড়তি টাকা জমা থাকায় দলটির তহবিলে বর্তমানে জমা রয়েছে ৫ লাখ ৯৭ হাজার ২৩১ টাকা।
আজ রোববার জাতীয় পার্টির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর কাছে এ হিসাব জমা দেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আক্তার। প্রতিনিধি দলের অপর ২ সদস্য হলেন- দলটির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নুরু ও যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান।
জাতীয় পার্টির হিসাবে ৯টি খাত থেকে আয় দেখানো হয়েছে। আর ব্যয় হয়েছে ১৭টি খাতে। হিসাব অনুযায়ী দলটির মূলত আয় হয়েছে সদস্য, কর্মী, কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের চাঁদা, ফরম বিক্রি, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার অনুদান, বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ, দলের পত্রিকার সাময়িকী বইপত্র বিক্রি, দলের বিভিন্ন সংস্থা/সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খাত থেকে।
এর মধ্যে সদস্য ও কর্মীদের চাঁদা ২৪ লাখ ২৭ হাজার ৩৮৮ টাকা, কার্যনির্বাহী ও উপদেষ্টা পরিষদের চাঁদা ৯ লাখ ৩৪ হাজার ২টাকা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার অনুদান ২৯ লাখ টাকা, বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে আয় ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮২০ টাকা এবং দলের বিভিন্ন সংস্থা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে আয় ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩০০ টাকা।
অপরদিকে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয় ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা, বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল ৪ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা, সভা বাবদ ব্যয় ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা, প্রকাশনা কার্যক্রম খাতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯২৮টাকা, আপ্যায়ন ব্যয় ৩ লাখ ৫ হাজার এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পদ ক্রয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৬ টাকা।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী ৩১ জুলাইয়ের মধ্য বিগত বছরের আয় ব্যয়ের হিসাব ইসিতে দেয়ার বাধ্যবাধতা রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দল পর পর ৩বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে ওই দলের নিবন্ধন বাতিল করতে পারে ইসি।
এমবি





