দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের উদ্দেশ্যমূলক মামলায় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেয়া দন্ডাদেশকে ‘অবৈধ সরকারের ফ্যাসিবাদে’র আরেকটি দৃষ্টান্ত বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার ৫৪৭জন নেতা।
গত রোববার বিকেলে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার আহ্বায়ক প্রফেসর ড. কেএমএ মালেক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শিক্ষাবিদ নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ এবং সদস্য সচিব প্রকৌশলী ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে আদালতের দেয়া এই রায়কে বাংলাদেশকে চিরতরে পরাধীন করার পরিকল্পনার অংশ বলে অভিযোগ করা হয়।
সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ড. কেএমএ মালেক বলেন, অকুতোভয় সময়ের সাহসী রাজনীতিক বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র তারেক রহমানকে কারাদন্ড দিয়ে দেশের স্বাধীনতাকে চুড়ান্তভাবে বিলীন করে দেয়ার চক্রান্ত প্রতিহত করতে হবে। এজন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বৃটেনে বসবাসরত পেশাজীবী বাংলাদেশী নেতারা।
প্রসঙ্গত, অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেছে হাইকোর্ট। আটক বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে তার এই সাজা কার্যকর হবে। এর আগে এই মামলায় জজকোর্ট তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছিল।
দুদকের আপিল গ্রহণ করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমীর হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার এই রায় দেন।
পেশাজীবী নেতারা বলেন, শহীদ জিয়া পরিবারের সদস্যদের দন্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো ইতিহাস রচনা করেছে বর্তমান অনির্বাচিত সরকার। মুজিবের বাকশাল আবারও দেশে ফিরে এসেছে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ও এর স্বাধীন বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন কত হাস্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, তা দেশনায়ক তারেক রহমানের এই রায়ে স্পষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে বিচার বিভাগ ও দুদক ফ্যাসিবাদী সরকারের ক্রিড়ণক হিসেবে কাজ করছে। আদালতও এর অংশ হয়ে গেছে বলেই বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক বিচার পাওয়ার অধিকার ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
পেশাজীবী নেতারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, একজন প্রতিবাদী দেশপ্রেমিক নাগরিককে শাস্তি দেবার জন্য নীতি, লজ্জা ও আইনের সীমা কিভাবে লংঘিত হতে পারে তারেক রহমান তাঁর ঐতিহাসিক নজির হয়ে রইলেন। ভয় নাই; ইতিহাস কাপুরুষ ও বেহায়াদের জন্য নয়। ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বীরেরা লড়বেই। অন্ধকারের পর আলো আসবেই। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা অন্য পেশাজীবীরা হলেন- ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক ড. আবদুল মোমিন চৌধুরী, প্রবীন সাংবাদিক জগলুল হোসেন, সাংবাদিক মোখলেসুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্যে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শামসুল আলম প্রমুখ





