জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, করোনা কালীন এই দুর্যোগেও জামায়াত আর্ত-মানবতার কল্যানে দেশের বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বন্যার্তদের দুর্ভোগ লাঘবের প্রধান দায়িত্ব সরকারের। এরপরেও তিনি সরকারের পাশাপাশি সকল রাজনৈতিক দল এবং বিত্তবানদের সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বন্যার্ত মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এতে বন্যাদুর্গতদের কষ্ঠ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
শুক্রবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের খিলগাঁও পূর্ব থানার উদ্যোগে ৭৫ নং ওয়ার্ডের নাসিরাবাদ এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও খিলগাঁও পুর্ব থানা আমীর মোহাম্মদ শাহাজাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবু ফাহিম। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও খিলগাঁও পুর্ব থানা সেক্রেটারি আশরাফুল আলম ইমনের পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য রওশন জামান, খোরশেদ আলম মজুমদার, জামায়াত নেতা আবুল হাশেম, কুদরাতুল ফাত্তাহ আজমল, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সাইফুল সারোয়ার, ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী পুর্বের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হাদী, খিলগাঁও থানা সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের দুর্গতি দেখে পরবর্তী সময়েও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও আমরা এই ধরণের কার্যক্রম অব্যহত রাখবো এবং আল্লাহর রহমতে এই দুর্যোগ অচিরেই কেটে যাবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক পরিবার। এরফলে পানিবন্দি ও বন্যা দূর্গত এলাকায় ব্যাপক পরিমাণ খাদ্য ও চিকিৎসার অভাব দেখা দিয়েছে। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত বন্যা সহ যে কোন দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের পাশে সাধ্যমতো দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সকলকে বিপদে ধৈর্য্য ধারন করার আহ্বান জানান এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহান আল্লাহর কাছে সহযোগিতা চাওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে একদিকে মানুষ বন্যায় আক্রান্ত অপর দিকে খুন, ধর্ষণ ও নির্যাতন বেড়েই চলেছে। স্বাধীন দেশে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুরও কোন গ্যারান্টি নাই। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসাধারনের নাভিশ্বাস উঠেছে। এমতাবস্থায় ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নাই। জামায়াতে ইসলামী সেই সমাজ ও রাষ্ট্র কায়েমের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলের কল্যাণের জন্যই কল্যাণমুলক কাজ অব্যাহত রেখেছে। তিনি সকলকে এই কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী হওয়ার উদাত্ত আহবান জানান।
এসময় বন্যা কবলিত অসহায় প্রতিটি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আটা, আলু, তেল, লবন, চিড়া, মুড়ি, গুড়, সাবান সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমবি





