বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এই বদ্ধ ঘরের ভিতর আমাদের স্লোগান মানুষ আর শুনতে চায় না। তারা এখন আমাদের থেকে কিছু কাজ চায়। বক্তৃতা শুনতে শুনতে তাদের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। তারা এখন বিরক্ত।

জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে যুবদল আয়োজিত যুবসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, আজ রক্তপিপাসু দানবের হাতে দেশ বন্দী। এ দানবের হাত থেকে দেশকে বাচাঁতে হবে। ভবিষ্যতে মানুষের আশা আকাঙ্খা যাতে পুরণ হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে।

গয়েশ্বর বলেন, এই স্বৈরাচারি হাসিনার কাছে নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করে কোনো লাভ নেই। দেশকে মুক্ত করতে আমাদের যে কাজটি করতে তা হবে, তা হচ্ছে রাজপথ দখল। এর বিকল্প কোনো পথ আমাদের সামনে খোলা নেই।

তিনি বলেন, দেশবাসীকে যন্ত্রণা থেকে আমাদের মুক্তি দিতে হবে। অবৈধ সরকারের কাছে মুক্তির দাবি করে লাভ নেই। মানুষ শুধু বদ্ধ ঘরে বক্তব্য শুনতে চায় না। রাজপথে থাকতে হবে। সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ সমস্ত বন্দীদের মুক্তি দিতে সরকার বাধ্য হয় সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, হাসিনা দেশকে বসবাসের তিক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে ময়ূরের সিংহাসনে বসে থাকতে চান। তিনি জানেন না বর্ষাকালে এ দেশের মাটি নরম হয়।

সৈয়দ আশরাফের বক্তব্যর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ১৫ আগস্টসহ অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপিকে দায়ী না করে নিজেরা আয়নার সামনে দাড়ান তাহলে দেখবেন কাদের চেহারা ভেসে উঠে। তারা আপনাদের সাথেই আছে। বরং আমরা বলতে পারি জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই হত্যা করেছে।

আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আযাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ।

এমএইচ/ এআর