মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এই দিনে সংসদ নেতাও নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, '২০২৪ সালে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। দলমত নির্বিশেষে দেশের অব্যাহত উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঠান্ডা মাথায় এগিয়ে যেতে হবে। কোথাও কোনো সহিংসতা বা সংঘাত হওয়া উচিত নয়। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নেতা যে ভাষণ দিয়েছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করতে হবে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এবং দেশ পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের অতিক্রম করতে হবে।’
সংসদ নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতায় না জড়াতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বানও জানান ওবায়দুল কাদের। বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা দলের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত রাখার একটি চক্রান্ত। দেশের মানুষ ভোট দিয়েছে। যারা বর্জনের ডাক দিয়েছে ভোটাররা তাদের বর্জন করেছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, 'ভবিষ্যতে দুষ্কর্মের বিরুদ্ধে আমাদের মনোযোগ বাড়াতে হবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। কিন্তু বিএনপি তাই করছে। এটি জনসাধারণের সঙ্গে তাদের বিচ্ছিন্নতার মাত্রা বাড়িয়ে তুলবে। আমরা সবসময় সতর্ক থাকি যাতে কোনো ক্ষতি না হয়। সবকিছু মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগ আজকের বিজয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবিচল রয়েছেন।’
নির্বাচন নিয়ে কয়েকটি দেশের বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'বাংলাদেশের এই নির্বাচনে আমেরিকা, কমনওয়েলথ ও ওআইসির পর্যবেক্ষকরা এখানে উপস্থিত ছিলেন। আমি মনে করি, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের পর পর্যবেক্ষকরা তাদের দেশ থেকে যে ইতিবাচক মন্তব্য করবেন, তার ওপর ভিত্তি করে যারা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন তারাও বিষয়টি বুঝতে পারবেন।’
এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা.দীপু মনি উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ





