কোনো চাপ বা কাউকে খুশি করতে ২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতে ইসলামীকে ছিন্ন করবে না বিএনপি। জোট যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। জোটকে আরও শক্তিশালী করা হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্য হবে আলাদা প্ল্যাটফর্মে।
রবিবার (২১ আগস্ট) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান অফিসে ২০-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
জোটের কলেবর বাড়লে তাদের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বৈঠকে অংশ নেওয়া জামায়াত প্রতিনিধি।
বৈঠকে খালেদা জিয়া জোট নেতাদের জানান, তিনি বিএনপি বা ২০-দলীয় নেত্রী হিসাবে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেননি। জাতীয় নেত্রী হিসাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। যারা এতে সাড়া দেবেন তাদের নিয়ে নতুন প্ল্যাটফর্ম গড়া হবে।
বৈঠকে বেগম খালেদা জিয়া জানান, তিনি পবিত্র হজে যাবেন। রবিবার রাত পৌনে ৯টায় শুরু হয়ে রাত ১১টার দিকে বৈঠকটি শেষ হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের যে আহ্বান জানিয়েছেন তার সঙ্গে ২০-দলীয় জোটের কোনো সম্পর্ক নেই। জাতীয় নেত্রী হিসেবে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন। ২০-দল তার সেই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে ও গ্যাসের দাম বাড়লে প্রতিবাদ কর্মসূচি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০-দল। কর্মসূচি কবে ও কী হবে তা বিএনপি চেয়ারপারসন ঠিক করবেন। এর আগে তিনি সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন।
বৈঠকে খালেদা জিয়া জানান, বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। তবে এর পাশাপাশি অন্যান্য ইস্যুর দিকেও নজর দিতে হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ।





